সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি এই তথ্য জানায়। এদিকে ঈদুল আজহার সময় দেশে ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র কালবৈশাখীর প্রবল শঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী, মে মাসের দ্বিতীয় অর্ধে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে অন্তত একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ। একই সময়ে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হলেও বিভিন্ন অঞ্চলে ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞ কমিটির সভায় জানানো হয়েছে।
বিভাগভিত্তিক পূর্বাভাসের তথ্য মতে, এই মাসে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে সিলেট বিভাগে যেখানে ৫২০ থেকে ৫৪০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৪০ থেকে ৩৬০, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৩০ থেকে ৩৫০, রংপুর বিভাগে ২৬০ থেকে ২৮০ এবং ঢাকা বিভাগে ২৫০ থেকে ২৭০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হতে পারে। অন্যদিকে বরিশাল বিভাগে ২২০ থেকে ২৫০, রাজশাহী বিভাগে ১৭০ থেকে ১৯০ এবং খুলনা বিভাগে ১৬০ থেকে ১৮০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির পাশাপাশি এ মাসে দেশে ৫ থেকে ৮ দিন হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কালবৈশাখী ও বজ্রঝড় হতে পারে যার মধ্যে অন্তত ২ থেকে ৩ দিন তীব্র কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
Leave a Reply