অনলাইন ডেস্ক:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কারখানা বন্ধ হলে গ্রামে চলে যেতে হবে। ১৪ বছরের মধ্যে তিন ধাপে আমরা মজুরি বাড়িয়ে আট হাজার ৩০০ টাকা নির্ধারণ করেছি। এরপরেও শ্রমিকদের দাবির প্রেক্ষিতে ডিসেম্বর থেকে মজুরি বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। এই আলোচনার পর্যায়ে তাদের এভাবে মাঠে নামানো এবং সেখানে জ্বালাও পোড়াও হচ্ছে।
শ্রমিকদের উদ্দেশে সরকারপ্রধান বলেছেন, যে কারখানা দিয়ে রুটি-রুজি আসে, যে কারখানা থেকে খাবার খাও, সে কারখানা বন্ধ হলে তোমাদের চাকরি থাকবে কোথায়? তাহলে, তোমাদের তো গ্রামে চলে যেতে হবে।প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার তার সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মলনে এসব কথা বলেন। এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
শেখ হাসিনা ২৫ থেকে ২৬ অক্টোবর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত ‘গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরাম’ সম্মেলনে অংশ নেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতেই এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
শ্রমিক আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা বলেন, ‘৯৬ সালে আমি যখন সরকার গঠন করি, তখন গার্মেন্টস কর্মীরা ৮০০ টাকা মজুরি পেত। আমাদের সরকারের আমলে আমরা এক হাজার ৬০০ টাকা মজুরি নির্ধারণ করি। এরপরে বিএনপি সরকারে এলে তা কার্যকর করেনি।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা ২০০৯ সালে সরকারে আসার পরে এক হাজার ৬০০ টাকা থেকে পাঁচ হাজার ৩০০ টাকা মজুরি নির্ধারণ করি। এর মধ্যে প্রথম ধাপে তিন হাজার ৫০০ টাকা এবং দ্বিতীয় ধাপে এসে পাঁচ হাজার ৩০০ টাকা নির্ধারণ করি এবং তৃতীয় ধাপে এসে আট হাজার ৩০০ টাকা নির্ধারণ করি।’
Leave a Reply