অনলাইন ডেস্ক:
অর্থ সংকটে গত চার মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপির বাস্তবায়ন গত আট বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। এরপর নির্বাচনের বছরে অনুমোদন পেয়েছে আরও ২৫০ প্রকল্প। যা বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৫০৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গুরুত্ব বিবেচনায় কেবল প্রথম সারির প্রকল্পই পাবে বরাদ্দের পুরো অর্থ, সেখানেও নিতে হবে অনুমতি। আর দেখে শুনে খরচের পরামর্শ বিশ্লেষকদের।
গত কয়েকবছর ধরে দেশের উন্নয়নের গতি বেশিরভাগই দৃশ্যমান অবকাঠোমো নির্মাণ প্রকল্পের মাধ্যমে। এর ফলে ব্যয় বাড়ে হিসাবের খাতায় সমৃদ্ধ হয় সরকারের সাফল্যের ঝুড়িও। তাই নির্বাচনের বছরে সব সরকারেরই নজর থাকে বাড়তি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনে।
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, নির্বাচনী আইনে বলা হয়েছে তিন মাস কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ করা যাবে না। আমাদের নিয়ম-কানুন মেনে চলতেই হবে। এরপর কাগজপত্র প্রস্তুত করে কাজ শুরু করতেও আরও দুই থেকে তিন মাস লাগবে। প্রকল্পের কাজ বন্ধ হলেও আয়ের কাজ বন্ধ হয়নি। এ সময়ের মধ্যে বাজেটের টাকা আসতে থাকবে।
চলতি অর্থবছরে এডিপিতে বরাদ্দ ২ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা। যার মধ্যে সরকারের যোগান দিতে হবে ১ লাখ ৬৯ হাজার কোটি টাকা। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, গেল চারমাসে এডিপি বাস্তবায়নের যে হার, তা গেল ৮ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। যার কারণ হিসেবে আর্থিক সংকটকেই দুষছেন সংশ্লিষ্টরা।
Leave a Reply