নাটকে বিনা পয়সায় দেখলে সিনেমায় কেউ নেবে না: পূর্ণিমা

নাটকে বিনা পয়সায় দেখলে সিনেমায় কেউ নেবে না: পূর্ণিমা

বড় পর্দার তারকাদের ছোট পর্দায় কাজ করা নিয়ে একসময় ঢালিউডে বেশ নেতিবাচক ধারণা প্রচলিত ছিল। তবে সেই ছক ভেঙে চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি নাটক ও টেলিফিল্মেও সমান তালে কাজ করে দর্শকপ্রিয়তা ধরে রেখেছেন চিত্রনায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। দুই দশকেরও বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে কাজের মাধ্যম পরিবর্তন নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য শুনলেও নিজের অভিনয়সত্তার জায়গায় অবিচল ছিলেন এই তারকা।

সাম্প্রতিক সময়ে মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত চলচ্চিত্র ‘আহারে জীবন’। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সময়ে নাটক, টেলিফিল্ম এমনকি ওটিটিতেও কাজ করেছেন তিনি। তবে এই পথচলায় তাকে শুনতে হয়েছে নানা নেতিবাচক মন্তব্যও।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অতীতের স্মৃতিচারণ করে পূর্ণিমা বলেন, ‘চলচ্চিত্রের পাশাপাশি আমি নাটক, টেলিফিল্মও করেছি একসময়। তখন অনেকেই আমাকে বলত তুমি সিনেমার নায়িকা, নাটকে কেন যাচ্ছ? ফ্রিতে দেখতে পেলে কেউ তোমাকে ফিল্মে কাজে নেবে না।’

তবে এমন মন্তব্যের কারণে কাজের ক্ষেত্র নিয়ে কখনো সংকীর্ণ ভাবনায় বিশ্বাসী ছিলেন না তিনি। তার কাছে অভিনয়ই প্রধান। এ প্রসঙ্গে পূর্ণিমা আরও বলেন, ‘নাটক, টেলিফিল্ম এসব জায়গাও আমার কাছে কমফোর্ট জোন। বিশেষ করে ঈদকে কেন্দ্র করে ভালো গল্প পেলে কাজ করতে ভালো লাগত।’

মাত্র ১৫ বছর বয়সে ‘এ জীবন তোমার আমার’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে পূর্ণিমার। প্রথম সিনেমায় নায়ক হিসেবে পেয়েছিলেন ফেরদৌসকে। এরপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি তাকে।

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে রিয়াজ, মান্না, শাকিব খান, রুবেল ও আমিন খানসহ দেশের শীর্ষ নায়কদের বিপরীতে অভিনয় করেছেন তিনি। প্রায় শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করা এই নায়িকার জনপ্রিয় সিনেমার তালিকাও বেশ দীর্ঘ। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘মনের মাঝে তুমি’, ‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিল না’ ও ‘মধুর মিলন’।

কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিল না’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন পূর্ণিমা, যা তার ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় স্বীকৃতি।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2023 tulshigonga24.com privacy-policy Contact Us About Us
Design BY NewsTheme