সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ: তথ্যমন্ত্রী

সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ: তথ্যমন্ত্রী

জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এই কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্য রাখছিলেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের দিনটি দেশের গণমাধ্যম ইতিহাসের জন্য এক অনন্য মাইলফলক। বাংলাদেশে এই প্রথম গণমাধ্যমের মূল ধারার সকল অংশীজনকে আমরা একই মঞ্চে জড়ো করতে পেরেছি।

তিনি বলেন, ‘আজকের এই আয়োজন মূলত একটি উন্মুক্ত সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে। আমরা সবাই যদি আলোচনার মধ্য দিয়ে সর্বসম্মতিক্রমে আমাদের পথ চলার মূল বিন্দুটি খুঁজে বের করতে পারি, তবেই এই আয়োজন সার্থক হবে।

রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমের মহান ও স্বাধীন উদ্দেশ্যকে সফলভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সরকার কেবল একজন ‘সহায়ক’ এবং ‘সমন্বয়কারী’র দায়িত্ব পালন করবে।’বর্তমান সরকারের গণতান্ত্রিক ও কল্যাণকামী রাষ্ট্র গঠনের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার নির্বাচনে যাওয়ার আগেই দেশের জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল- রাষ্ট্রকে একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক ও কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করার।

এজন্য রাষ্ট্রের কাঠামোগত যেসব জায়গায় মেরামত বা সংস্কার করা দরকার, সকলকে সাথে নিয়ে সেসব জায়গায় সরকার মেরামত করবে।’তিনি বলেন, ‘সংস্কারের এইতালিকাভুক্ত খাতগুলোর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে গণমাধ্যম। সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ।’

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

স্বাগত বক্তব্যে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি রক্তক্ষয়ী বিপ্লব ও সংগ্রামের পর দেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই গণতন্ত্রকে কীভাবে সমুন্নত রাখা যায় এবং সরকারের এই উন্নয়ন যাত্রায় গণমাধ্যম কীভাবে সহযাত্রী ও সহযোগী হতে পারে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পরামর্শ প্রয়োজন।

গণমাধ্যমের অগ্রযাত্রায় সরকার ও গণমাধ্যমকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

প্রস্তাবিত গণমাধ্যম কমিশনকে শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়ে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘আমরা এমন একটি গণমাধ্যম কমিশন গঠন করতে চাই যা অত্যন্ত শক্তিশালী হবে এবং যেখানে জবাবদিহিতা থাকবে। এই কমিশনকে কীভাবে আরও কার্যকর ও জবাবদিহিতামূলক করা যায়, সে বিষয়ে আপনাদের মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ অত্যন্ত জরুরি।‘

পোষ্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2023 tulshigonga24.com privacy-policy Contact Us About Us
Design BY NewsTheme