শেষ ষোলোর প্লে অফের প্রথম লেগ আজ। বিগ ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে নামছে ম্যানচেস্টার সিটি। এ নিয়ে টানা চার মৌসুমে মুখোমুখি হচ্ছে দু’দল। এছাড়া জুভেন্টাস লড়বে পিএসভির বিপক্ষে। স্পোর্টিং লিসবন আতিথ্য দিবে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডকে আর পিএসজির প্রতিপক্ষ ব্রেস্ত। সিটি-রিয়ালের ম্যাচে ঐতিহ্যের ছাপ নেই। চিরপ্রতিদ্বন্দীতার তকমা থেকে এখনও বহুদূর। তবে গেলো কয়েক বছরে এ দু’দল মুখোমুখি মানে বাড়তি রোমাঞ্চ। ইউরোপের অন্যতম সেরা দুই ক্লাবের লড়াই বলে কথা।
গেলো আসরের কথা হয়তো এখনও ভুলে যাননি পেপ গার্দিওলা। লস ব্লাঙ্কোদের কাছে হেরে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল। অথচ শিরোপা ধরে রাখার মিশনে সেবার ফেভারিট ছিল সিটিজেনরা। এবার অবশ্য সময়টা ভালো যাচ্ছে না ম্যানসিটির। ইংলিশ লিগের ট্রফি রেস থেকে অনেকটাই ছিটকে গেছে গার্দিওলার দল। চ্যাম্পিয়নস লিগেও কক্ষপথে নেই।
গোল মেশিন আর্লিং হালান্ডও সেরা ছন্দে নেই। রিয়ালের বিপক্ষে রেকর্ডও ভালো নয় এ নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকারের। আগের তিন দেখায় একবারও বল জালে জড়াতে পারেননি হালান্ড। তবে গার্দিওলার দুশ্চিন্তার বড় জায়গা জুড়ে রিয়ালের আক্রমণভাগ। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রদ্রিগো, বেলিংহাম, এমবাপ্পে ফ্যান্টাস্টিক ফোরকে আটকানোর পথ খুঁজছেন সিটির মাস্টারমাইন্ড।
ম্যানচেস্টার সিটি কোচ পেপ গার্দিওলা বলেন, খেলা ৯০ মিনিট হোক কিংবা ১৮০ মিনিট, তাদের আক্রমণভাগকে নিয়ন্ত্রণ করা প্রায় অসম্ভব। সবাই জানে তারা অসাধারণ। আমাদের চেষ্টা থাকবে তাদের কম সুযোগ দেবার। আমাদের আরও স্মার্ট হতে হবে আর তাদের কৌশল বুঝতে হবে।
সিটিজেনদের ফরোয়ার্ড লাইন নিয়েও ভাবতে হচ্ছে কার্লো আনচেলত্তিকে। হালান্ডের সামর্থ্য ভালোই জানা। সঙ্গে কেভিন ডি ব্রুইনা, ফিল ফোডেনরা ম্যাচের পরিস্থিতি বদলে দিতে পারে। তার চাইতেও বড় সমস্যা রিয়ালের রক্ষণ। দানি কারভাহাল, অ্যান্টনিও রুডিগার, ডেভিড আলাবা, এডের মিলিতাওয়ের ইনজুরিতে। নতুন করে সে তালিকায় যোগ দিয়েছেন লুকাস ভাসকুয়েজ। তবে গার্দিওলার কৌশলে বেশি নজর রিয়ালের বসের।
রিয়াল মাদ্রিদ কোচ কার্লো আনচেলত্তি বলেন, ওরা সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষ। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেরা কোচের কৌশলকে ভাঙতে পারলে আসরে অনেকটাই এগিয়ে যাওয়া যায়। পেছনে তাকালে দেখা যাবে, গার্দিওলার বিপক্ষে জয় মানে চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা। এবারও হয়তো তাই হবে।
এর আগে ১২ বার মুখোমুখি হয়েছে দু’দল। ৪ জয়ের বিপরীতে রিয়ালের হার ৩টি। চ্যাম্পিয়নস লিগের নক আউট পর্ব থেকে সিটিজেনরা সবচেয়ে বেশি হেরেছে লস ব্লাঙ্কোদের বিপক্ষে।
Leave a Reply