হিন্দু সম্প্রদায়ের এক কোটির বেশি মানুষের বসবাস পাকিস্তানে। পারমাণবিক শক্তিধর এই দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ যখন সামরিক সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ঠিক তখন সীমান্তবর্তী বেলুচিস্তানের প্রাদেশিক রাজধানী কোয়েটায় নয়াদিল্লির প্রতিক্রিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সেখানে বসবাসরত হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ।
এসময় তারা নয়াদিল্লির সাম্প্রতিক অভিযোগের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন—যেখানে হিন্দুত্ববাদী ভারত দাবি করেছে, কাশ্মীরের পর্যটনস্থল পেহেলগাঁওয়ে সশস্ত্র হামলায় পাকিস্তানের মদদ রয়েছে। খবর দ্য ডনের।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন সঞ্জয় কুমার নামে এক আইনপ্রণেতা। তিনি পাকিস্তান পিপলস পার্টির সংখ্যালঘু প্রতিনিধি এবং বেলুচিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য। মিছিলে অংশ নেয়া পুরুষ ও নারীর হাতে ছিল ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড, যেখানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ভারতের বিরুদ্ধে স্লোগান লেখা ছিল।
বিক্ষোভকারীরা কোয়েটার বিভিন্ন সড়ক ঘুরে প্রেস ক্লাবের সামনে জড়ো হন। সেখানে সমাবেশে সঞ্জয় কুমার বলেন, পাকিস্তানের হিন্দু সম্প্রদায় দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর পাশে আছে। যদি ভারত পাকিস্তানের ওপর হামলার সাহস করে, তবে পাকিস্তানের এক কোটির বেশি হিন্দু সেনাদের পাশে দাঁড়াবে।
অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে কয়েকজন নারীও ছিলেন যারা ভারতের কর্মকাণ্ড এবং বক্তব্যের সমালোচনা করেন। তারা ভারতের সিন্ধু পানিচুক্তি স্থগিত করার সিদ্ধান্তকে আন্তর্জাতিক চুক্তির লঙ্ঘন বলে আখ্যা দেন।
বক্তারা বলেন, ১৯৬০ সালে স্বাক্ষরিত সিমলা চুক্তি ভারত একতরফাভাবে বাতিল করতে পারে না। এর জন্য অন্য পক্ষগুলোর সম্মতি লাগবে।
Leave a Reply