ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর, পাঞ্জাব এবং গুজরাটসহ দেশটির উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের ১৫টি শহরে সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে পাকিস্তানের আক্রমণের চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়ার দাবি করেছে ভারতের সরকার। বৃহস্পতিবার (৮ মে) বিকেলে মোদি সরকার জোর দিয়ে বলেছে, ভারতীয় বাহিনীর প্রতিক্রিয়া ছিল “পাকিস্তানের আক্রমণের মতো একই ক্ষেত্র (এবং) একই তীব্রতার সাথে”। তারা দাবি করেছে, পাকিস্তানি বাহিনী ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছিল। পরে ভারতের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়।
সূত্রের বরাতের ভারতের সংবাদ সংস্থা এএনআই বলছে, পাকিস্তানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করতে ভারত হারোপ ড্রোন ব্যবহার করেছিল। পরে রাশিয়ার তৈরি এস-৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে শহরগুলোকে লক্ষ্য করে আসা ক্ষেপণাস্ত্র গুলি করে ভূপাতিত করা হয়।
ভারত সরকার জানিয়েছে, ধ্বংসপ্রাপ্ত ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ সংগ্রহ করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে পাকিস্তানের তরফে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার বলেছেন, দেশটির সশস্ত্র বাহিনী সাম্প্রতিক দিনে ৫০টি ভারতীয় ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করেছে। এগুলোর মধ্যে কিছু জ্যামিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে এবং অন্যগুলো বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ভূপাতিত ড্রোনের মধ্যে অন্তত ২৫টি ইসরায়েলে তৈরি হারোপ ড্রোন রয়েছে। ভারতীয় আগ্রাসনের প্রমাণ হিসেবে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ জাদুঘরে প্রদর্শিত হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তারার দাবি করেছেন, ব্যর্থ জেট হামলার পর ভারত ড্রোন যুদ্ধের কৌশল গ্রহণ করেছে। তার কথায়, ভারত বেসামরিক এলাকাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে, অন্যদিকে পাকিস্তান বেসামরিক হতাহত এড়িয়ে সংযম দেখিয়েছে।
Leave a Reply