নিউজ ডেস্ক:
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এখন আলোচনা সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচন ঘিরে। সংসদের সংরক্ষিত আসনে ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়ন পেতে জোর লবিং করছেন মনোনয়নপ্রত্যাশীরা। দলের সাধারণ সম্পাদকসহ কেন্দ্রের সিনিয়র নেতাদের অফিস থেকে শুরু করে বাসায়ও হানা দিচ্ছেন তারা। দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন গণভবন থেকে দলীয় কার্যালয়ে। এককথায় সকাল-সন্ধ্যা সিনিয়র নেতাদের কাছে সুপারিশে ব্যস্ত সময় পার করছেন মনোনয়নপ্রত্যাশীরা। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে শীর্ষ আওয়ামী লীগ নেতার স্বজন, স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি, কেউ জনপ্রতিনিধির স্ত্রী এবং ছাত্রলীগ নেত্রীসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যারা জড়িত, সেলিব্রেটিরাও রয়েছেন।
এছাড়াও সংরক্ষিত নারী আসনে স্বতন্ত্র জোটের মনোনয়ন পেতেও দলীয় মনোনয়ন নিয়ে কিংবা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে হেরে যাওয়া কয়েকজনও এ দৌড়ে শামিল হয়েছেন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন প্রসঙ্গে বলেছেন, শিডিউল ঘোষণার পর দলের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম এ বিষয়ে বলেন, আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে যারা কাজ করেছে, দুর্দিনের কর্মী এককথায় যারা নিপীড়িত-নির্যাতিত, যারা পারিবারিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; সংরক্ষিত আসনের জন্য তাদের মনোনীত করা হবে। এছাড়া যারা নারী অধিকার ও নারী জাগরণে অবদান রাখতে পারে, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া হবে। আবার বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যারা জড়িত, সেলিব্রেটি, পেশাজীবী— সবকিছুর সমন্বয়েই সংরক্ষিত আসনে দলীয় প্রার্থী দেওয়া হবে।
Leave a Reply