অনলাইন ডেস্ক
খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা ও তার স্ত্রীকে অচেতন করে মালামাল লুট এবং মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বিয়েতে রাজি না হওয়ার জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী তরুণীকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি কমিশনার তাজুল ইসলাম জানান, সোমবার রাত আড়াইটার দিকে ৩ দুর্বৃত্ত ঘোলা গ্রামের একটি বাড়ির ছাদের গ্রিল ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। দুর্বৃত্তরা চেতনানাশক স্প্রে করে গৃহকর্তাকে ছাদের একটি কক্ষে অচেতন করে রাখে। নিচের একটি কক্ষেও চেতনানাশক স্প্রে করে গৃহকর্তা স্ত্রীকে অচেতন করে। পরে তার হাত-পা বেধে রান্নাঘরে ফেলে রাখে। এর পর তারা গৃহকর্তার মেয়েকে ধর্ষণ করে।
পুলিশ জানায়, ধর্ষণের পর দুর্বৃত্তরা ৬-৭ ভরি স্বর্ণালংকার ও ৩ লাখ টাকাসহ কিছু মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ, র্যাব ও সিআইডির টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় দস্যুতা ও ধর্ষণের অভিযোগে হরিণটানা থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোবিন্দ ফৌজদার নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। অন্য ২ জনকে আটকে অভিযান চালানো হচ্ছে।
Leave a Reply