সফিউল আলম সফিঃ আক্কেলপুর(জয়পুরহাট)
গত কয়েক দিন থেকে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলা। দেখামেলেনি সূর্যের। তীব্র শীতে জবুথবু প্রান ও প্রাণীকুল। হুমকিতে পড়েছে সাড়ে ৫’শ হেক্টর ইরি বোরার বীজতলা এবং রবিশষ্য।
গত কয়েক দিন থেকে সুর্যের নাগাল পাওযা যায়নি। কুয়াশা বৃষ্টি ও হিমেল বাতাসে শীতে কাঁপছে প্রান ও প্রাণিকুল। পাকা রাস্তায় কর্দ্দমাক্ত হয়েছে কুয়াশা শিশিরের পানিতে। হাট বাজার সহ অফিস পাড়াতে কমেছে লোকজনের উপস্থিতি। তাপমাত্রা অতিমাত্রায় কমার কারণে হুমকিতে পড়েছে ইরি-বোরোর বীজ তলা সহ সব ধরণের ফসলের। ফসল রক্ষায় উপজেলা কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের করনীয় বিষয়ে সচেতন করতে লিফলেট সহ পরামর্শ প্রদান অব্যাহত রেখেছেন।
কৃষকরা বীজতলা রক্ষায় পাতলা পলিথিন দিয়ে বীজ তলা ঢেঁকে রাখছেন।অতিমাত্রায় বালাই নাশক প্রযোগ করেও ক্ষেতের আলু রক্ষা করতে পারছেন না এমন অভিযোগ সকল কৃষকের।
রাস্তাঘাটে প্রায়ঃশয় নজরে পড়ছে কিছু লোকজন আগুন জ¦ালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। পুরাতন কাপড়ের দোকানে বেড়েছে নি¤œ আয়ের মানুষের শীত নিবারণের কাপড় কেনা কাটা।
এছাড়া রাস্তার ধারে বসা শীতের পিঠাপুলির দোকানে কিছুটা ভজন রসিকদের ভীর ছাড়া অন্যকোথাও বেশি লোকজনের উপস্থিতি নজরে পড়ছে না।
নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে সহজে কেউ বের হচ্ছেন না। শীতে বাড়ছে শ^াস কষ্ট ,ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া সহ শীত জনিত নানা রোগের প্রাদুর্ভাব। হাসপাতালে বাড়ছে রুগির সংখ্যা।
হিমেল বাতাস ও তীব্রশীতের প্রভাবে বাড়তে শুরু করেছে গৃহপালিত গরু ছাগল সহ হাঁস মুরগীর রোগ বালাইয়ের প্রবণতা।
গত কাল এ অঞ্চলে সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৯ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেসিয়াস পর্যন্ত উঠানামা। দিনের বেলায় যান বাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনজুরুল আলম রাতে রাতে গ্রাম গঞ্জঘুরে ঘুরে দুঃস্থদের মাঝে স্বল্প পরিমান কম্বল বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন। কম্বলের পরিমান আরো অনেকটা বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন অভিজ্ঞজনেরা।
Leave a Reply