সফিউল আলম সফিঃ
বসন্তের আগমন না হলেও জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে আমের মুকুল আসতে শুরু করেছে। মুকুলের সুরভিত মৌ মৌ গন্ধ ছড়াতে শুরু করেছে ইতিমধ্যেই। সময়ের আগেই অনেক গাছে মুকুল আসাই উৎপাদন নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এখানকার আম চাষীরা।
এবার প্রায় এক মাস আগেই আক্কেলপুর উপজেলায় কিছু কিছু আম গাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে। প্রায় ২১ থেকে ২২ হাজারের অধিক আম গাছে এবার আম ধরার আশা আম চাষিদের। মৌসুমের পুর্বেই চলমান শ্বৈত্য প্রবাহের মধ্যে গাছে মুকুল আসায় উৎপাদন ও খরচ নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন আম চাষি সহ বাগান মালিকগণ।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ইমরান হোসেন জানিয়েছেন এবার জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলায় প্রায় সাড়ে ৮’শ হেক্টর জমিতে প্রায় ২২ হাজারের অধিক আম গাছ রয়েছে। মৌসুমে আমের উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছ প্রায় সাড়ে ৩’শ মেট্রিক টনের অধিক। তিনি আরো জানান, এখানকার উৎপাদিত আম স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বিদেশ সহ দেশের অন্যান্য স্থানে রফতানি হয়ে থাকে। এখন অর্থকরী ফসল হিসেবে গণ্যকরে বাজ্যিক ভাবে আম চাষ শুরু হয়েছে। যা পুর্বে ছিল না। আম চাষের জন্য চলমান আবহাওয়া বৈরি।
আমের উৎপাদন ও খরচ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন আম চাষী দেলোয়ার হোসেন, লুৎফর রহমান, আমির হোসেন, খায়ারুল ইসলাম, আবু বক্কর সহ অনেকে।
আম চাষীদের দাবী, আবহাওয়া জনিত কারণে দীর্ঘ্য সময় ধরে গরম এবং বিলম্বে শীতের আগমন হওয়াতে অনেক গাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে। চলমান প্রচন্ড শীতের মধ্যে মুকুল নষ্ট হওয়ার সম্ভবনা অনেকটা বেশি। আমের মুকুল সাধারণত বসন্তের শুরুতেই আসতে শুরু করে। কিন্তু এখন শীতকালের মধ্যেবর্তী সময়। পুরো মাঘ মাস শীত থাকে। এর মধ্যে অনেক
গাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে। এখনই সব গাছে মুকুল আসলে ছত্রাকের আক্রমন অনেকাংশে বেড়ে যায়। ছত্রাকের আক্রমন হলে উৎপাদন ও ব্যয় অনেকটা বেড়ে যায়। এতে লোকশানে পড়তে হয় বিশেষ করে আম বাগান মালিকদেরকে।
Leave a Reply