জয়পুরহাটে নিখোঁজের ৫ দিন পর বাঁশঝাড় থেকে কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

জয়পুরহাটে নিখোঁজের ৫ দিন পর বাঁশঝাড় থেকে কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, জয়পুরহাট


নিখোঁজের ৫ দিন পর জয়পুরহাট সদর উপজেলার বম্বু ইউনিয়নের ধারকী সতিঘাট এলাকার তুলশীগঙ্গা নদীর বাঁধের পাশের একটি বাঁশঝাড় থেকে মাহমুদুল হাসান পিপাস (২৫) নামে এক কলেজছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার বিকেলে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়। নিহতের বন্ধুদের দাবি তাকে তাকে হত্যার পর মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

নিহত মাহমুদুল হাসান পিপাস আক্কেলপুর উপজেলার রুকিন্দীপুর গ্রামের মৃত মাহবুবুর রহমান ছেলে। পিপাস জয়পুরহাট সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিল। পাশাপাশি সে একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করতেন এবং জয়পুরহাট শহরের ধানমন্ডী এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত ৩১ জানুয়ারি পিপাসের সাথে সদর উপজেলার বোর্ড ঘর এলাকার এক মেয়ের সঙ্গে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। এর আগে ২৯ জানুয়ারি বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ ছিল সে। এ ঘটনায় আক্কেলপুর থানায় একটি জিডিও করা হয়েছিল। রবিবার দুপুরে সদর উপজেলার সতিঘাট এলাকার তুলশীগঙ্গা নদীর বাঁধের পাশের একটি বাঁশঝাড়ে এক নারী বাঁশ কাটতে এসে একটি গাছের মধ্যে গলায় রশি পেঁচানো তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। এসময় তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে তার মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।

পিপাসের বন্ধু সোহাগ হোসেন বলেন, পিপাস অত্যন্ত ভাল ছেলে ছিল। গত শুক্রবার তার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার দুই দিন আগেই সে নিখোঁজ হয়। আজকে তার মরদেহ উদ্ধর করা হয়েছে। সে আত্মহত্যা করার মতো ছেলে নয়। তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

জয়পুরহাট সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে আমরা মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে তার মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2023 tulshigonga24.com privacy-policy Contact Us About Us
Design BY NewsTheme