র্যাব-৮ জানায়, র্যাব-৩ এবং র্যাব-৮-এর যৌথ অভিযান চালিয়ে কুদ্দুসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের করা মামলার প্রধান আসামি তিনি। এ ছাড়া তিনি বোমা কুদ্দুস নামে পরিচিত।
র্যাব-৮-এর শীর্ষ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, বিলাসপুর ইউনিয়নের দূর্বাডাঙ্গা এলাকার দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তার ১৫ সেকেন্ডের ভিডিও শনিবার সকালে থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়রা জানায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারে কুদ্দুস ও জলিল মাতবরের মধ্যে বিরোধ চলছে। তারা উভয়ই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতার সময়ও তাদের মধ্যে ইউপি নির্বাচন নিয়ে বিরোধ ছিল। গত দুই বছরে দুই পক্ষের মধ্যে অন্তত ১০টি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।শনিবার সকালে দুই পক্ষই বালতিতে করে ককটেল নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়।
ভিডিওতে দেখা যায়, খোলা মাঠে উভয় পক্ষের লোকজন মুখোমুখি অবস্থানে। সেখানে অনেকের হাতে বালতি। কেউ কেউ হেলমেট পরিহিত। ছুটতে ছুটতে প্রতিপক্ষকে লক্ষ্য করে বালতি থেকে হাতবোমা নিক্ষেপ করা হচ্ছে। মুহূর্তেই সেগুলো বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়ে ধোঁয়ার সৃষ্টি করছে।
জাজিরা থানার ওসি দুলাল আকন্দ বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষই লিখিত অভিযোগ করেনি। তবে পুলিশ বাদী হয়ে এ ঘটনায় বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে মামলা করে। সেখানে কুদ্দুসকে প্রধান আসামি করা হয়।
Leave a Reply