নিজস্ব প্রতিবেদক
৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে উত্তরাঞ্চল জাতীয়তাবাদী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং কালাই, ক্ষেতলাল, আক্কেলপুর-জয়পুরহাট-২ আসনে বিএনপির ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা মো আব্বাস আলী পক্ষ থেকে পুষ্প অর্পণ ও মোনাজাত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

আব্বাস আলী বলেন, বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পরিচিত ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। আমরা ১৮৫৭ সালে সিপাহি বিপ্লবের কথা শুনেছি। তখন ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্তির জন্য সিপাহিরা বেরিয়ে এসেছিল। আর ৭ নভেম্বরে একইভাবে বাংলাদেশের সাধারণ সিপাহিরা মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ক্যান্টনমেন্ট থেকে বেরিয়ে আসে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য। ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, অভ্যুত্থান-পাল্টা অভ্যুত্থান, অনিশ্চয়তা, অরাজকতা এবং প্রতিবেশী শক্তির হীন ষড়যন্ত্রে স্বাধীনতা যখন বিপন্ন তখন তারা চেইন অব কমান্ড বা নির্দেশের সোপানকে অগ্রাহ্য করে জাতীয় স্বাধীনতা রক্ষায় অবতীর্ণ হন। তারা জাতীয় শক্রদের প্রতিহত করে কুচক্রীদের নীলনকশা নস্যাৎ করে দেন। সমসাময়িক পৃথিবীর ইতিহাসে এই ঘটনা ছিল নজিরবিহীন। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় সংহতি অর্জনে এ রকম সংহত, সমন্বিত এবং সুসংগঠিত ঐক্য গোটা জাতির জন্য এক অনুপম দৃষ্টান্ত।

এদিকে ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আব্বাস আলীর সৌজন্যে জয়পুরহাটের ক্ষেতললার উপজেলার মাহমুদ গ্রামের বিভিন্ন মসজিদে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফেরাত কামনা, বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থত কামনা করে দোয়া করা হয়। এছাড়া তারেক রহমানের সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য দাবি জানানো হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মামুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ফখরুজ্জামান চৌধুরী রুমি, সাধারণ সম্পাদক হেলাল মেম্বার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র মো: রায়হান আলী, ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক বায়েজিদ মাহমুদ, ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক লিটন, যুবনেতা আনিসুর রহমান,বিএনপি নেতা আশরাফুল,ওলামাদল নেতা মাওলানা হাফেজ মুসা কারিমুল্লাহ,আব্দুর রউফ, আল আমিন মন্ডল, মামুনুর রশীদ, আব্দুল ওহাব সহপ্রায় শতাধিক নেতা কর্মীরা।
Leave a Reply