মেহেরপুরে পার্কে ঘুরতে যাওয়ার নাম করে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অপরাধে আসাদুজ্জামান নামের এক রাজমিস্ত্রিকে জনতা আটক করে গণধোলাই শেষে পুলিশে দিয়েছেন।
এ ঘটনায় ভিকটিমের পিতা গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে বুধবার বিকেলে গাংনী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযুক্ত আসাদুজ্জামান আসাদ ও ভিকটিম শিশুটিকে উদ্ধার করে আদালতে প্রেরণ করেছেন।
অভিযুক্ত মোস্তফা গাংনী উপজেলার পিরতলা গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গত সোমবার সন্ধ্যায় গাংনী উপজেলার পিরতলা গ্রামের হুরমত তলার মাঠে এই ঘটনা ঘটে। শিশুটি আসাদুজ্জামানের আপন ভাসুরের মেয়ে। সে তার চাচির সঙ্গে গাংনী উপজেলার পিরতলা গ্রামে নানা আসাদুজ্জামানের বাড়িতে ঈদের জন্য বেড়াতে এসেছিল।
আসাদুলের মেয়ে লিজা খাতুন জানান, ঈদ উপলক্ষে আমি ও আমার জা’র মেয়ে (ভিকটিম) বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসেছি। বিকেলের দিকে বাবা তাকে পার্কে ঘোরানোর জন্য নিয়ে যায়। ঘটনাটি সত্যি হলে বাবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
স্থানীয়রা জানান, শিশুটি দৌড়ে পালিয়ে এসে আমাদের কাছে বললে আমরা তাকে আটক করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে থানায় দিয়েছি।
গাংনী থানার ওসি বানী ইসরাইল বলেন, ভিকটিম এবং অভিযুক্তকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির পিতা বাদী হয়ে মামলা দিয়েছে। মামলাটি তদন্তনাধীন।
Leave a Reply